Advertisement

ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ, যুক্তরাষ্ট্রকে আরও ঝুঁকির মুখে ফেলেছে: ওবামা

  • অনলাইন ডেস্ক অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ১২:১৫:৫৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬
ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ, যুক্তরাষ্ট্রকে আরও ঝুঁকির মুখে ফেলেছে: ওবামা

ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ যুক্তরাষ্ট্রকে আরও ঝুঁকির মুখে ফেলেছে বলে মন্তব্য করেছেন দেশটির সাবেক প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা। একইসঙ্গে এই যুদ্ধ শুরু করার পক্ষে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের যুক্তিরও সমালোচনা করেছেন তিনি। ওবামা বলেছেন, ইরানের কাছে কোনো পারমাণবিক অস্ত্র ছিল না।

ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ শুরুর বিষয়ে ট্রাম্পের যুক্তি প্রত্যাখ্যান করে ওবামা বলেন, তার প্রশাসনকে এ ধরনের যুদ্ধের পথে যেতে হয়নি। তিনি বলেন, ‘আমাকে কোনো ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়তে হয়নি। আমি কূটনীতির পথ বেছে নিয়েছিলাম।’

ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে ক্ষয়ক্ষতির বিষয়েও সমালোচনা করেন ওবামা। তিনি বলেন, ‘আমাদের মিত্র দেশগুলো ও সামরিক ঘাঁটিতে হামলা হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকেরা নিহত হয়েছেন। শত শত মার্কিন নাগরিক আহত হয়েছেন। আমাদের ক্ষেপণাস্ত্রের মজুত কমে গেছে, যা আমাদের আরও ঝুঁকির মুখে ফেলেছে। আর এখন হরমুজ প্রণালিতে ইরানের কার্যত ভেটো দেয়ার মতো ক্ষমতা তৈরি হয়েছে। ওবামা আরও বলেন, ‘আর এ কারণেই তেলের দাম বেড়েছে।

এদিকে ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ শুরুর দায় অস্বীকার করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তার দাবি, ‘এই যুদ্ধ আমরা শুরু করিনি’ এবং তার ক্ষমতায় আসার অনেক আগেই সংঘাতের সমাধান হওয়া উচিত ছিল।

আগামী ৩ নভেম্বরের মধ্যবর্তী নির্বাচন সামনে রেখে ওহাইও অঙ্গরাজ্যের এক নির্বাচনী সমাবেশে বক্তব্য দেয়ার সময় ট্রাম্প এসব কথা বলেন। একই সঙ্গে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্রের সংখ্যা কমে যাওয়া এবং বিদ্যুৎ সংকটে দেশটির ড্রোন নির্মাতারা সমস্যায় পড়েছেন বলেও দাবি করেন ট্রাম্প।

ওহাইও অঙ্গরাজ্যের চিলিকোথে আয়োজিত ওই নির্বাচনী সমাবেশে ট্রাম্প বলেন, ইরানের হাতে এখনো ক্ষেপণাস্ত্র রয়েছে, তবে আগের তুলনায় সেগুলোর সংখ্যা ‘অনেক কম’।

তিনি আরও দাবি করেন, বিদ্যুৎ সরবরাহ না থাকায় ইরানের ড্রোন নির্মাতারা সমস্যায় পড়েছেন। তার ভাষায়, তারা ‘এখন আর বিদ্যুৎ পাচ্ছে না’। ট্রাম্প বলেন, ‘এই যুদ্ধ আমরা শুরু করিনি’। তার দাবি, ‘আমি এখানে আসার (প্রেসিডেন্ট হওয়ার) অনেক আগেই এই সংঘাতের সমাধান করা উচিত ছিল।’

প্রসঙ্গত, চলতি বছরের ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ শুরু করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল। সে সময় তেহরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে ওমানের মধ্যস্থতায় আলোচনা চলছিল। আলোচনার মধ্যেই ইরানে হামলার ঘটনা ঘটে।