ইসরায়েলের পার্লামেন্ট নির্বাচনে দেশটির বর্তমান প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর নেতৃত্বাধীন ডানপন্থি দলগুলোর জোটের সঙ্গে গাদি আইজেনকটের নেতৃত্বাধীন বিরোধী জোটের হাড্ডাহাড্ডি লড়াই চলছে। এখন পর্যন্ত যে ফলাফল পাওয়া যাচ্ছে, তাতে কোনো দলই সরকার গঠন করার মতো একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করতে পারছে না বলেই মনে হচ্ছে।
সংবাদমাধ্যমআল জাজিরা বলছে, ইসরায়েলে ভোট দেয়ার যোগ্য প্রায় ৮০ শতাংশ মানুষ ভোটকেন্দ্রে গিয়ে ভোট দিয়েছেন। একইভাবে ভোট দিয়েছেন দেশটির ফিলিস্তিনি নাগরিকদের প্রায় ৮০ শতাংশও। বুথফেরত জরিপে দেখা গেছে, পরবর্তী পার্লামেন্ট নেসেটে আরব নেতৃত্বাধীন দলগুলো ১৮টি আসন পেতে পারে। তবে দুই শিবিরের কেউই অ-জায়নবাদী দল কিংবা আরব দলগুলোর সঙ্গে জোট গঠন করতে বা তাদের সমর্থন নিতে আগ্রহী নয়। ইসরায়েলের রাজনৈতিক অঙ্গনের দুই পক্ষের নেতাদের কাছ থেকেই এমন অবস্থানের কথা শোনা গেছে।
ইসরায়েলের প্রেসিডেন্টকে এমন একটি দলের প্রধানকে সরকার গঠনের দায়িত্ব দিতে হবে, যার নেতৃত্বে সংসদে আস্থা ভোটে জয়ী হওয়ার মতো জোট গঠনের সম্ভাবনা সবচেয়ে বেশি বলে তিনি মনে করেন।
দায়িত্ব পাওয়ার পর ওই নেতা জোট গঠনের জন্য অন্য দলগুলোর সঙ্গে আলোচনা ও দর-কষাকষির সুযোগ পাবেন। এরপর তাকে সংসদে সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জনে সক্ষম একটি সরকার গঠনের চেষ্টা করতে হবে।
তবে এই মুহূর্তে জোট গঠনের ক্ষেত্রে দুই শিবিরেরই বেশ কিছু সীমাবদ্ধতা রয়েছে। ফলে ভোটের আনুষ্ঠানিক গণনা শেষ হওয়া এবং ইসরায়েলের প্রেসিডেন্ট পরবর্তী সরকার গঠনের দায়িত্ব কাকে দেবেন, সেই সিদ্ধান্ত নেয়া পর্যন্ত আরও অনেক পথই বাকি রয়েছে।



















