ইসরায়েলের নির্বাচনে প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর নেতৃত্বাধীন জোট এবং গাদি আইজেনকটের বিরোধী জোটের মধ্যে হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের দেখা মিলেছে। দুই পক্ষের কেউই সরকার গঠনের জন্য প্রয়োজনীয় সংখ্যাগরিষ্ঠতা পায়নি। নেতানিয়াহুর জোট ৫৩ এবং আইজেনকটের জোট ৪৮ আসন পেয়েছে। আর ১৯ আসন নিয়ে বড় চমক উপহার দিয়েছে আরব দলগুলো। খবর টাইমস অব ইসরায়েলের
বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) ইসরায়েলের চ্যানেল ১২ জানিয়েছে, প্রস্তাবিত চুক্তি অনুযায়ী, ইউটিজে জোটের বাইরে থাকবে কিন্তু তারা আইজেনকটের নেতৃত্বাধীন সরকারের বিরুদ্ধে বা কোনও আইনের বিপক্ষে ভোট দেয়ার পরিবর্তে ভোটদানে বিরত থেকে তাকে ক্ষমতায় টিকিয়ে রাখতে সাহায্য করবে।
চ্যানেল ১২-এর মতে, ইউটিজে-এর সাতটি আসন ছাড়া নেতানিয়াহুর ব্লকের থাকবে ৪৬টি আসন, যার বিপরীতে আইজেনকটের ব্লকের আসনসংখ্যা হবে ৪৮টি। আইজেনকট আরব দল রা’ম-এর থেকেও সমর্থন চাইতে পারেন। এবারের নির্বাচনে নেসেটে আটটি আসন পেয়েছে মনসুর আব্বাসের এই দল।
মূলত নেতানিয়াহুর প্রতি চরম ক্ষোভ থেকেই ইউটিজে জোট পরিবর্তনের এই চিন্তা করছে। ইহুদি ধর্মীয় শিক্ষার্থীদের সামরিক বাহিনীতে বাধ্যতামূলকভাবে যোগ দেয়ার বিষয়টি বাতিলের দাবি জানিয়ে এসেছে তারা। কিন্তু নেতানিয়াহুর সরকার এই দাবি মেনে নিতে ব্যর্থ হয়েছে।
ইউটিজে-এর এক সূত্র চ্যানেল ১২-কে জানিয়েছে, ‘আমরা নেতানিয়াহুর কাছ থেকে কিছুই পাব না। তার সঙ্গে আমাদের জোটের মেয়াদ শেষ হয়ে গেছে, বিশেষ করে এখন তার কাছে ৬১টি আসন নেই। আমাদের লক্ষ্য হলো নেসেটে আবারও একটি গুরুত্বপূর্ণ শক্তি হয়ে ওঠা।’
তবে নেতানিয়াহুর বিরোধীদের সঙ্গে ইউটিজে-র জোট গঠনের ক্ষেত্রে সবচেয়ে বড় বাধা হচ্ছে, ইহুদি ধর্মীয় শিক্ষার্থীদের সামরিক বাহিনীতে যোগ দিতে বাধ্যবাধকতার পক্ষে প্রকাশ্যে অবস্থান নিয়েছেন সাবেক সেনাপ্রধান গাদি আইজেনকট। তবু ইউটিজে-এর কিছু নেতার বিশ্বাস, আলোচনার মাধ্যমে এমন একটি খসড়া আইন তৈরি করা সম্ভব যা উভয় পক্ষই মেনে নেবে।


















